জেড ক্যাটাগরির ২৩ কোম্পানি পরিদর্শনে যাবে ডিএসই
পুঁজিবাজারের দুর্বল ক্যাটাগরির কোম্পানি হিসেবে বিবেচিত ‘জেড’ ক্যাটাগরির ২৩ কোম্পানি পরিদর্শনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সম্প্রতি নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় ধরে উৎপাদন বন্ধ, এজিএম করতে ব্যর্থ ও বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দিতে না পারা দুর্বল ক্যাটাগরির এসব কোম্পানির সামগ্রিক কার্যক্রম যাচাই এবং তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় চিঠিতে।
বিএসইসির পাঠানো চিঠিতে পরিদর্শনের জন্য নাম উল্লেখ করা কোম্পানিগুলো হলো- অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স, আরামিট সিমেন্ট, আজিজ পাইপস, বাংলাদেশ সার্ভিসেস, বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং, বিআইএফসি, জিবিবি পাওয়ার, ইনটেক লিমিটেড, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ এবং মিথুন নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড। এসব কোম্পানিগুলোর ব্যাপারে বিশেষ অনুসন্ধানের জন্য চিঠিতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
এছাড়া ন্যাশনাল টি কোম্পানি, নূরানী ডাইং অ্যান্ড সোয়েটার, পিপলস লিজিং, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর, প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স, রিং শাইন টেক্সটাইল, আরএসআরএম, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, সাফকো স্পিনিংস, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ইয়াকিন পলিমার লিমিটেডের উৎপাদন, এজিএম এবং লভ্যাংশ প্রদানের বিষয় নিয়েও পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয় চিঠিতে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্রোকারেজ কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে শেয়ারবাজারে ঋণে জর্জরিত উৎপাদহীন কোম্পানিগুলো রাজত্ব করে চলেছে। তাদের কোন কার্যক্রম চলমান না থাকলে প্রতিনিয়ত কারসাজির মাধ্যমে হু হু করে বাড়ছে শেয়ারদর। ফলে স্বল্পমেয়াদী বিনিয়োগকারীরা তাদের ফাঁদে পা দিয়ে লোকসানে ভুগছেন। এতে শেয়ারবাজার থেকে ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছেন স্বচ্ছ বিনিয়োগকারীরা।
এ ব্যাপারে বিএসইসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, জেড ক্যাটাগরিতে বর্তমানে প্রায় দুই ডজন কোম্পানি লেনদেন করছে, যারা দীর্ঘসময় বিনিয়োগকারীদের কোন লভ্যাংশ প্রদান করেনি। পাশাপাশি বিএসইসির নিয়মনীতি পরিপালনেও ব্যর্থ হয়েছে। কমিশন এসব কোম্পানির সামগ্রিক অবস্থান জানতে ইতোমধ্যে পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জের পরিদর্শন প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
