বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
আজকের সংবাদ

আইপিওতে ৭৮ কোটি টাকা তুলতে চায় পার্কওয়ে প্যাকেজিং

পুঁজিবাজার প্রেস প্রতিবেদক : শেয়ারবাজার থেকে ৭৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায় ডিবিএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠান পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি।

এ লক্ষ্যে ফিক্সড প্রাইজ পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন চেয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) আবেদন করেছে কোম্পানিটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ অক্টোবর বিএসইসির কাছে আইপিওর অনুমোদন চেয়ে আবেদন জমা দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

আইপিওর মাধ্যমে ১ কোটি ৯৫ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যু করে ৭৮ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।শেয়ার সুরক্ষা সফটওয়্যার

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। এর সঙ্গে ৩০ টাকা প্রিমিয়াম যোগ করে শেয়ারপ্রতি মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে ৪০ টাকা।

তবে আইপিওর অনুমোদন ও শেয়ার ইস্যুর বিষয়টি বিএসইসির পর্যালোচনা ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

কোম্পানিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থ সহযোগী প্রতিষ্ঠান নেক্সট প্যাক লিমিটেডে ইক্যুইটি বিনিয়োগ হিসেবে দেওয়া হবে। নেক্সট প্যাকের মাধ্যমে পৃথক স্থানে আধুনিক ও সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ঢেউতোলা কাগজের কার্টন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন কারখানাটি চালু হলে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পরিচালন দক্ষতা ও সরবরাহব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্য রয়েছে।

কোম্পানিসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নতুন কারখানায় উৎপাদিত কার্টন মূলত দেশের তৈরি পোশাকশিল্পসহ প্যাকেজিং পণ্যের চাহিদা রয়েছে এমন বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হবে।

ডিবিএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠিত বাজার ও গ্রাহকভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন উৎপাদন সক্ষমতা ব্যবহার করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

আইপিওতে শেয়ারপ্রতি মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ‘পাবলিক অফার অব ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ’ বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করা হয়েছে বলে আবেদনসংশ্লিষ্ট তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। ইস্যু ব্যবস্থাপকের সঙ্গে পরামর্শ করে শেয়ারের প্রস্তাবিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

পাশাপাশি মূল্যায়ন পদ্ধতির মাধ্যমে এ দরের যৌক্তিকতা তুলে ধরেছে কোম্পানিটি। আইপিওর অনুমোদন পেতে খসড়া প্রসপেক্টাসসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্রও জমা দেওয়া হয়েছে।

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে করপোরেট স্বচ্ছতা, আর্থিক তথ্য প্রকাশ ও জবাবদিহি বাড়বে বলে আশা করছে কোম্পানিটি।

একই সঙ্গে নতুন কারখানায় বিনিয়োগের মাধ্যমে প্যাকেজিং খাতে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি বাংলাদেশের প্যাকেজিং ও প্রিন্টিং খাতে কাজ করছে।

প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য প্যাকেজিং পণ্য সরবরাহ করে আসছে। আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের প্রস্তাব অনুমোদিত হলে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের নতুন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *