হত্যার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী আক্রমণের প্রতিকার চায় বিশিষ্ট শেয়ার’ব্যাবসায়ী এজি মাহমুদ ও মোঃ সাইফুল্লাহ মিজান
হত্যার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী আক্রমণের প্রতিকার চায় বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী এজি মাহমুদ (৪৮) ও মোঃ সাইফুল্লাহ মিজান। এ ব্যাপারে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও ভূক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায় গত ২৬.১০.২০২৫ ইং তারিখ দুপুর আনু: ১২:২৫ ঘটিকার দিকে ব্যাবসায়ী এজি মাহমুদ ও মো. সাইফুল্লাহ মিজান সহ মতিঝিল থানার অন্তর্গত সিটি সেন্টার ভবনের ১৫ তলায় রেমন্ড সিকিউরিটিজ লি. এর অফিস কক্ষে ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে অবস্থান করাকালীন মুশফিকুর রহমান রনি (৫০), সহ অজ্ঞাত ২(দুই)জন ব্যবসায়ীক আলোচনার কথা বলিয়া তাদের সহিত বাহির করিয়া লইয়া যায়। বাহিরে আগে থেকেই অপেক্ষমাণ খোরশেদ আলম মিঠু (৫৫), ও অজ্ঞাতনামা আরো কয়েক জন আসামী তাদের সাথে যোগ দেয়। অত:পর সকলে মিলে ডেকে সিড়ি ঘরে নিয়ে গিয়ে মুশফিকুর রহমান রনি ১৭ কোটি টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদা দিতে অপারগতা ও অস্বীকৃতি জানালে খোরশেদ আলম মিঠু এজি মাহমুদকে ঘুষি মেরে ফ্লোরের ওপর ফেলে দিলে মিঠু সহ অপরাপর সকলে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকিলে এজি মাহমুদের ডাক চিৎকার শুনিয়া তাঁর বড় ভাই ১ নং স্বাক্ষী সাইফুল্লাহ মিজান ঘটনাস্থলে আসিয়া ঠেকানোর চেষ্টা করলে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা তাকে জাপটে ধরে এলোপাথাড়ি মারধর করে এবং এক পর্যায়ে খোরশেদ আলম মিঠু তার হাতে থাকা লোহার বস্তু দ্বারা ১ নং স্বাক্ষীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার মাঝ বরাবর আঘাত করিলে সেটি ১ নং স্বাক্ষীর মাথার পিছনে লেগে রক্তাক্ত কাটা জখম হয়। এই পর্যায়ে আমাদের ডাক্ চিৎকারে আশেপাশের অফিসের লোকজন এগিয়ে আসলে ১ ও ২নং এজাহারভুক্ত আসামীরা সহ সকল অজ্ঞাত আসামীরা তাদেরকে খুনের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এই পর্যায়ে উপস্থিত স্বাক্ষীর মো. নুর, নাদিম, উজ্জল, সাইফুল সহ কয়েকজন আমাদেরকে উদ্ধার করে ঘটনাস্থল হইতে তাৎক্ষনিক চিকিৎষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় । ১নং স্বাক্ষী মো. সাইফুল্লাহ মিজানের মাথায় ৬ টি সেলাই প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তীতে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা শুনিয়া এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করিয়া থানায় আসিয়া এজাহার দায়ের করতে গেলে মতিঝিল থানা মামলা দায়েরে গড়িমসি করছে উল্টো ভিকটিমদের চাপে রাখার কৌশল নিয়েছে এবং থানা সূত্রে জানা যায় সন্ত্রাসী চক্র ভিকটিমদের মামলার আগেই উল্টো তাদের বিরুদ্ধে জিডি করেছে । উল্লেখ্য ঘটনার পরপরই বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার সংশ্লিষ্ট মতিঝিল থানাকে পাশ কাটিয়ে আক্রমণকারী পুলিশের বরখাস্তকৃত এসপি খোরশেদ আলম মিঠু পুলিশ হেডকোয়াটারে কর্মরত তার স্ত্রী এডিশনাল ডিআইজি হাসিনা আক্তার কে কাজে লাগিয়ে বিশেষ ফোর্স দিয়ে ভিকটিমদের চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে ঘটনাস্থলে আটকে রাখার চেষ্টা করে। পরে সাংবাদিকদের সহায়তা নিয়ে তারা হাসপাতালে যান এবং ভিকটিম মোঃ সাইফুল্লাহ মিজানের মাথায় ৬ টি সেলাই লেগেছে। এ ব্যাপারে মোঃ সাইফুল্লাহ মিজান গণমাধ্যমকে বলেন খোরশেদ আলম মিঠু ও মুশফিকুর রহমান রনি সহ চার পাঁচ জনের একটি সিন্ডিকেট শেয়ার বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করার জন্য পুলিশ হেডকোয়াটারের একটি বিশেষ ফোর্স ব্যবহার করে ৫ আগষ্টের পর থেকে বিভিন্ন সিকিউরিটিজে মব সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। তিনি বলেন ঢাকা স্টকএকচেঞ্জ,ইবিএল সিকিউরিটিজ, সাউথইস্ট ব্যাংক সিকিউরিটিজ, উত্তরা ব্যাংক সিকিউরিটিজ এবং রেমন্স ইনভেস্টমেন্ট সিকিউরিটিজে আমাদের উপর আক্রমণ করা হলো। এব্যাপারে কোর্টের মাধ্যমে মামলা দায়েরের কাজ চলছে। এ বিষয়ে মোবাইলে ঘটনাটি কেন ঘটালেন জানতে চাইলে খোরশেদ আলম মিঠু বলেন মাথা ফাটানো বা আটকে রাখার মতো কোন ঘটনা উল্টো ৫৬ কোটি টাকা পাবেন বলেন বলে দাবি করেন তবে এ বিষয়ে প্রমাণ চাইলে কোন সঠিক জবাব দিতে পারেননি। ভিকটিম এজি মাহমুদ ও মোঃ সাইফুল্লাহ মিজান এ বিযয়ে আতঙ্ক প্রকাশ করে বলেন পুলিশের সহযোগীতা পাচ্ছিনা কোর্টের মাধ্যমে মামলা দায়ের করছি, আমরা সঠিক তদন্ত মারফত সুবিচার প্রার্থনা করছি।
