এক দিন বৃদ্ধির পর তিন দিন পতন হচ্ছে শেয়ারবাজারে
শেয়ারবাজারে ধারাবাহিক দর পতন চলছে। প্রায় প্রতিদিনই দর হারাচ্ছে সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ার। পুঁজি হারানোর কারণে ক্ষোভ-দুঃখ বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের। বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ব্রোকারেজ হাউস, মার্চেন্ট ব্যাংক কোম্পানি কেউ স্বস্তিতে নেই। কারণ লাগাতার দর পতনে শেয়ার কেনাবেচা কমায় তারা ব্যবসা হারিয়েছেন। সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানি মুনাফা নিতে পারছে না, উল্টো তাদের সম্পদ মূল্য কমছে।
টানা তৃতীয় দিনে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর কমেছে। দর বেড়েছে ৫২টির, কমেছে ২৯৩টির এবং অপরিবর্তিত ৪৮টির দর। এতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৮ পয়েন্ট হারিয়ে ৫২৫৭ পয়েন্টে নেমেছে। কেনাবেচা হয়েছে মাত্র ৩০৬ কোটি টাকার শেয়ার।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি তিন দিন দর পতনের পর এক দিন সূচক বেড়েছে। এ সময়ে মোট ১১ কার্যদিবসের মধ্যে ৯ দিনে মোট ৪৪৯ পয়েন্ট কমেছে, বাকি দুই দিনে বেড়েছে ১০৭ পয়েন্ট। ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, তাদের গ্রাহকরা ধৈর্যহারা হয়ে পড়ছেন। দর পতনে আরও লোকসান হওয়ার আগে সব শেয়ার বিক্রি করে দিতে বলছেন তারা। নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ কমেছে।
ইলেকট্রনিক শেয়ার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সিডিবিএল প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত বুধবার পর্যন্ত চলতি অক্টোবরে গত ৪ হাজার ১৫৫টি নতুন বিও অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৯৭টিতে এখনও শেয়ার কেনা হয়নি। অথচ একই সময়ে শেয়ারশূন্য হয়েছে ৪ হাজার ৬৬৩টি অ্যাকাউন্ট। গত দেড় মাসের হিসাবে এ সংখ্যা ১৩ হাজার ৬৪৩টি।
