এশিয়াটিকের আগের রেকর্ড তারিখ বহাল রাখতে আইনি নোটিশ
আমার মক্কেলের কাছ থেকে আমার স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে।‘
তবে, নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো কাট-অফ তারিখ নির্ধারণ করতে কোনো আপত্তি নেই বলে আইনি নোটিশটিতে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ, ২০২২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজকে আইপিওর মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৯৫ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য অনুমতি দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। সেসময় অনুমোদিত এ কোম্পানিটির যথারীতি নিলাম মূল্য নির্ধারিত হয় ৫০ টাকা। আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে ২০২৩ সালের ৮ জানুয়ারি রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়। বিএসইসির দেওয়া শর্ত অনুসারে, আগ্রহী নিবাসী বিনিয়োগকারীরা সেকেন্ডারি মার্কেটে ৫০ হাজার টাকার এবং অনিবাসী বিনিয়োগকারীরা ১ লাখ টাকার শেয়ার কিনে আবেদনের প্রস্তুতি নেন। কিন্তু কোম্পানির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সে বছরের ১৫ জানুয়ারি তারিখে অর্থাৎ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আইপিও আবেদন শুরুর ঠিক আগের দিন বিএসইসি কোম্পানিটির আইপিও ঘোষণা স্থগিত করে।
কিন্তু গত বছরের ২৮ নভেম্বর কমিশনের ৮৮৯ তম সভায় বিএসইসি কোম্পানিটির আইপিওতে দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে। কিন্তু নিলাম মূল্যে এবং আইপিওর সাধারণের রেকর্ড তারিখে আগে একবার বিনিয়োগের শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও কোম্পানিটি সেকেন্ডারি মার্কেটে নির্ধারিত বিনিয়োগ রাখার জন্য নতুন করে রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করে।
অনেক বিনিয়োগকারীর মতে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের আইপিও আবেদনের জন্য এই নতুন করে রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করার বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনের পরিপন্থী, অবিচার এবং একই ক্ষেত্রে দুই রকম নিয়ম। তারা মনে করেন, বর্তমানে শেয়ার মার্কেটের খারাপ অবস্থায় দ্বিতীয়বার শেয়ার কিনতে হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আবারও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।
