বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬
এক্সক্লুসিভ

জেনিথ ইসলামী লাইফের যে স্ট্যাটিস্টিকস দেখলাম সেটা সত্যি প্রশংসার’ বিআইএ প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ

ডেস্ক :জেনিথ ইসলামী লাইফ সঠিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বীমা মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশন (বিআইএ)’র প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ। তিনি বলেন, এনবিআর চেয়ারম্যানের সাথে আমাদের কথা হলো, সে প্রথমেই আমাদের সমালোচনা করলেন, এই খাতের সমালোচনা করলেন। তবে এই সমস্যা ইনশাআল্লাহ আশা করি আর থাকবে না। সেটার একটি বড় প্রমাণ, এখানে লাইফ বীমার প্রথম প্রজন্মের সিইও ও বর্তমান প্রজন্মের সিইও এখানে উপস্থিত আছেন। এই দুই সিইও-ই তারা তাদের জায়গা থেকে সঠিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আসলে যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে সবই সম্ভব।
বুধবার (১৯ মার্চ) রাজধানীর ইআরএফ মিলনায়তনে জেনিথ ইসলামী লাইফের দিনব্যাপী ম্যানেজার কনফারেন্স ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাঈদ আহমেদ এসব কথা বলেন। কোম্পানিটির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম নুরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী বি এম ইউসুফ আলী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জেনিথ ইসলামী লাইফের ভাইস চেয়ারম্যান এটিএম এনায়েত উল্যাহ, বিনিয়োগ কমিটির চেয়ারম্যান মো. ছায়েদুর রহমান, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও বাংলাদেশ কো-অপারেটিভ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নুরে আলম সিদ্দিকী।
বিআইএ প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ বলেন, জেনিথ ইসলামী লাইফের যে স্ট্যাটিস্টিকস দেখলাম সেটা সত্যি প্রশংসার দাবিদার। আমি বিশ্বাস করি, শেষ পর্যন্ত জেনিথ পরিবার এভাবেই এগিয়ে যাবে। জেনিথ ইসলামী লাইফের যে ব্যবসার গ্রোথ, তা আরো বেশি উন্নত হতে পারত। কিন্তু সমাজে বীমা সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা থাকার কারণে সেটি হয়নি। আমাদের (বীমা কোম্পানি) সম্পর্কে একটা কথা আছে যে, আমরা মানুষের প্রিমিয়াম নিচ্ছি কিন্তু সেটা দিচ্ছি না, পকেটে রেখে দিচ্ছি। এগুলো থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে। বিভিন্ন জায়গাতে যারা বিশেষ করে এই অপকর্মের সাথে জড়িত তারাও কিন্তু এর পেছনে কাজ করে যাতে নতুনরা মাঠে টিকতে না পারে।
সাঈদ আহমেদ বলেন, আমি জেনিথ ইসলামী লাইফকে বলব, বিশেষ করে সারা বাংলাদেশব্যাপী তাদের এই যে গ্রোথের পরিমাণ, এটা যদি বিভিন্ন মিডিয়াতে এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে এটা সার্কুলার করে। তাহলে তাদের ফলাফল হয়তো আরো বেশি আসবে। যারা মাঠপর্যায়ে প্রিমিয়াম আহরণে কাজ করছেন তাদের প্রিমিয়াম আহরণ আরো সহজ হবে।
সাঈদ আহমেদ বলেন, কোন কোম্পানি মানুষের কষ্টার্জিত প্রিমিয়াম বা তাদের সারা জীবনের অর্জন ১২ বছর থেকে ১৫ বছর বা ১৮/২০ বছর ধরে সঞ্চিত টাকাটা ফেরত দেবে না এবং তারা তছরুপ করে নিয়ে যাবে- বিআইএ তা হতে দেবে না। বিআইএ এ বিষয়ে সোচ্চার এবং আমরা যারা এবার বিআইএ’র নির্বাচিত তারা অঙ্গীকারবদ্ধ যে, আমরা এটা আর হতে দেব না। আমরা নিজেরাও এটা করব না এবং অন্যদেরও করতে দেব না। যেখানেই তারা সমস্যা করবে আমরা (বিআইএ) সেখানেই হস্তক্ষেপ করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *