বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬
এক্সক্লুসিভ

দুর্বল ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানে আটকে আছে (আইসিবি)

দুর্বল ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানে আটকে আছে আমানত আইসিবির’
দুর্বল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রায় হাজার কোটি টাকার আমানত রেখেছে আইসিবি। একের পর এক নোটিশেও ফেরত পাওয়া যায়নি আমানত। বরং আমানত রাখা ৭টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এখন বন্ধের অপেক্ষায়। ফলে এসব আমানত নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় ধরণের অনিশ্চয়তা।
আইসিবির আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১টি ব্যাংক ও ১০টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আইসিবির ফিক্সড ডিপোজিট রিসিট (এফডিআর) হিসেবে আমানতের পরিমাণ ৯২৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে পদ্মা ব্যাংকে রয়েছে ১৬২ কোটি ২১ লাখ টাকা। পাশাপাশি ১০টি দুর্বল আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সংস্থাটির মোট আমানতের পরিমাণ ৭৬৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি যে ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের ৭টিতেই আইসিবির আমানত রয়েছে। বন্ধ হতে যাওয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে রাখা আমানতের পরিমাণ ৪৫২ কোটি ৪২ লাখ টাকা।বিশ্লেষকরা বলছেন, মূলত অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও খেলাপি ঋণের ভারে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরা এখন অস্তিত্ব সংকটে। ফলে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না এসব প্রতিষ্ঠান।
আইসিবির আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি ব্যাংক পদ্মা ব্যাংকে ১৬২ কোটি ২১ লাখ টাকার আমানত রয়েছে। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমানত রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে। প্রতিষ্ঠানটিতে আইসিবির আমানতের পরিমাণ ১৯১ কোটি ৬০ লাখ। পাশাপাশি ফারইস্ট ফাইন্যান্সে ৭৪ কোটি ২২ লাখ, এফএএস ফাইন্যান্সে ৫৬ কোটি ৯৪ লাখ ও আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেডে ৫০ কোটি ১২ লাখ টাকার আমানত রয়েছে। এছাড়াও বন্ধের তালিকায় থাকা প্রিমিয়ার লিজিংয়ে ৪৭ কোটি ২৯ লাখ, পিপলস লিজিংয়ে ২৫ কোটি টাকা এবং প্রাইম ফাইন্যান্সে ৭ কোটি ২৩ লাখ টাকার আমানত রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *