ন্যায্য বাজারমূল্য নির্ধারণে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন
সম্পদের বর্তমান ন্যায্য বাজারমূল্য নির্ধারণে প্রপার্টি, প্ল্যান্ট অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট (পিপিই) পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নিয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল। এর আওতায় কোম্পানিটির জমি ও ভবনসহ অন্যান্য সম্পদের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের ভিত্তিতে কোম্পানির প্রপার্টি, প্ল্যান্ট অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট (পিপিই), যার মধ্যে জমি ও ভবনও অন্তর্ভুক্ত, পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই পুনর্মূল্যায়নের মূল উদ্দেশ্য হলো কোম্পানির এসব সম্পদের বর্তমান ন্যায্য বাজারমূল্য নির্ধারণ করা এবং সেই মূল্য যথাযথভাবে কোম্পানির আর্থিক বিবরণীতে প্রতিফলিত করা। পুনর্মূল্যায়নের কার্যক্রম ইন্টারন্যাশনাল ভ্যালুয়েশন স্ট্যান্ডার্ডস , বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ডস, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ডস এবং প্রযোজ্য আইন, বিধি, প্রবিধান, নির্দেশিকা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অন্যান্য প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সম্পন্ন করা হবে।
এ লক্ষ্যে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ MABS & J Partners, Chartered Accountants-কে স্বাধীন সম্পদ মূল্যায়নকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের ভিত্তিতে কোম্পানির জমি, ভবনসহ প্রপার্টি, প্ল্যান্ট অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট-এর মূল্যায়ন করবে।
কোম্পানির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের পর প্রকৃত পুনর্মূল্যায়ন উদ্বৃত্ত, যদি কোনোটি থাকে, এবং এর ফলে কোম্পানির নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি)-এর ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রকাশ করা হবে।
মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাওয়ার পর সেটি পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদন করবে। এরপর প্রযোজ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার আইন, বিধি ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক প্রয়োজনীয়তা অনুসারে পুনর্মূল্যায়ন উদ্বৃত্ত এবং এনএভি-এর ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।
