বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬
এক্সক্লুসিভ

পুঁজিবাজার ফ্লোর প্রত্যাহারের পূর্বের অবস্থায় ফিরতে আর মাত্র ১৪ পয়েন্ট

পুঁজিবাজারের বড় স্টেকহোল্ডারদের চাপে গত ১৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকালে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্রথম দফায় ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করে নেয়। ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করার প্রথম কর্মদিবস রোববার প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) উদ্বোধনী সূচক ছিল ৬ হাজার ৩৩৬ পয়েন্ট।

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করার প্রথম সপ্তাহে ডিএসইর সূচকের বড় পতন হয়। সপ্তাহশেষে সূচক ১৮০ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৬ হাজার ১৫৬ পয়েন্টে। সূচকের এমন পতনে মার্জিন ঋণ বিনিয়োগকারীদের বারোটা বেড়ে যায়। ব্রোকারেজ হাউজ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর সুযোগ পেয়ে তাদের শেয়ার ফোর্স সেল করে দেয়। এরফলে অনেক মার্জিন বিনিয়োগকারী বড় আকারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ফোর্স সেলের চাপে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের দ্বিতীয় সপ্তাহের প্রথম দুই কর্মদিবসও বাজারে বড় পতন অব্যাহত থাকে। তারপর ফোর্স সেল যখন থেমে যায়, বাজার তখন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় টার্ন নেয়। বিশেষ করে গত বৃহস্পতিবার থেকে বাজার বড় আকারে বুলিশ ট্রেন্ডে রূপ নেয়। সর্বশেষ তিন কর্মদিবসেই ডিএসইর সূচক বেড়েছে ১৬৯ পয়েন্ট।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের দিন ডিএসইর সূচক ছিল ৬ হাজার ৩৩৬ পয়েন্ট। আজ সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) ডিএসইর সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩২২ পয়েন্টে। অর্থাৎ আর মাত্র ১৪ পয়েন্ট বাড়লেই ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাবে পুঁজিবাজার। তারপর কেবলেই সামনে যাওয়ার পালা।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে এখন ছোট-বড় সব বিনিয়োগকারী সক্রিয় হয়েছেন। যেসব বিনিয়োগকারী এতদিন সাইডলাইনে ছিলেন, তারাও বাজারে ফিরছেন। যে কারণে বাজারে শেয়ারদর বাড়ার সাথে সাথে লেনদেনেও বড় গতি দেখা যাচ্ছে। তারা আশা করছেন, সামনে বাজার অনেক ভালো হবে। যার আভাস ইতোমধ্যে দেখা যেতে শুরু করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *