রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬
এক্সক্লুসিভ

রমজানের প্রথম দিনে পতনের চাপে বিনিয়োগকারীদের হতাশা আরও বাড়িয়ে দিল আজকের লেনদেন বিনিয়োগকারীদের দেখার কেউ নেই

কোনোভাবেই পুঁজিবাজারে পতন থামছে না।রমজানের প্রথম দিনে পতনের চাপে বিনিয়োগকারীদের হতাশা আরও বাড়িয়ে দিল আজকের লেনদেন বিনিয়োগকারীদের দেখার কেউ নেই — পতনের ধাক্কায় বিনিয়োগকারীদের নাভিশ্বাস তৈরি হয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা কেউ বাজারের উপর্যুপরি পতনের কোনো কারণ বলতে পারছেন না।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৮ জানুয়ারি ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের দিন প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ছিল ৬ হাজার ৩৩৬ পয়েন্ট। ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর ধারাবাহিক পতনে ৬ কর্মদিবস পর ২৮ ফেব্রুয়ারি ডিএসইর সূচক নেমে যায় ৬ হাজার ৭৯ পয়েন্টে।

এরপর থেকে সূচক উপরে ওঠতে থাকে। যা ১১ ফেব্রুয়ারি বেড়ে দাঁড়ায় ৬ হাজার ৪৪৭ পয়েন্টে। তারপর জেড ক্যাটাগরির শেয়ার নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার এক সিদ্ধান্ত বাজারে আবারও নেতিবাচক চাপ দেখা যায়। শুরু হয় আবারও ধারবাহিক পতন। এরপর পতন আরও গভীর হয় যখন শীর্ষ মূলধনী কোম্পানি গ্রামীণফোন ও বৃটিশ অ্যামেরিকান ট্যোবাকো কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস তুলে দেওয়া যা। এরপর বাজারে থেমে থেমে পতনের বড় ঝাপটা দেখা যায়। যা আজও দেখা গেল। আজ ডিএসইর সূচক সাড়ে ৫১ পয়েন্ট কমে এসে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ০৬ পয়েন্ট। ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর সূচক যেখানে এসে থেমেছিল, আজ তারও অনেক নিচে নেমে গেছে। আজ ডিএসইর সূচক ১ বছ ৮ মাস আগের অবস্থা ফিরে গেল। ১ বছর৮ মাস আগে ২০২২ সালের ২৮ জুলাই ডিএসইর সূচক ছিল ৫ হাজার ৯৮০ পয়েন্ট।

এদিকে, সূচক এমন পতনের কোনো কারণ বলতে পারছেন না বাজার সংশ্লিষ্টরা। যারা ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের জন্য গলাবাজি করেছিলেন, বাজারকে সাপোর্ট দেওয়ার নানা রকম প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিল, তাদের মুখে এখন কুলুপ। কোনো রকম আওয়াজ নেই। অন্যদিকে, বাজারে এমন ধারাবাহিক পতনে লোকসানে দিশেহারা পড়ছেন বিনিয়োগকারীরা তাদের দেখার কেউ নেই ‘

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *