মঙ্গলবার, এপ্রিল ২১, ২০২৬
আজকের সংবাদ

বছরের সর্বোচ্চ ৯ কোম্পানির শেয়ার

শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ আকর্ষণের একটি প্রধান দিক হলো যখন কোনো কোম্পানির শেয়ার ৫২ সপ্তাহের সর্বোচ্চ মূল্যে পৌঁছায়। এই ঘটনাটি একইসঙ্গে বাজারে সেই কোম্পানির প্রতি অগাধ আস্থা এবং বাড়তি আগ্রহের শক্তিশালী ইঙ্গিত দেয়, আবার নতুন করে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেতও বটে—কারণ এত উঁচু দরে প্রবেশ করা সর্বদা ঝুঁকির জন্ম দেয়।
গত মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত নয়টি কোম্পানির শেয়ার টানা লেনদেনে সর্বোচ্চ দরে পৌঁছেছে। স্টকনাওয়ের তথ্য অনুযায়ী, এসব কোম্পানির দর বৃদ্ধির প্রবণতা বিনিয়োগকারী মহলে নতুন কৌতূহল তৈরি করেছে। তবে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, প্রকৃত শক্ত ভিত্তি নাকি কৃত্রিম চাহিদা এই উত্থানের পেছনে কাজ করছে।
সর্বোচ্চ দামে ওঠা কোম্পানিগুলো—
• আল মদিনা ফার্মা – ৪৪ টাকা• বিডি পেইন্টস – ৪১ টাকা ৯০ পয়সা• সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স – ৬৯ টাকা ১০ পয়সা• সিভিও পেট্রো কেমিক্যাল – ১৭৯ টাকা ৫০ পয়সা• ফাইন ফুডস – ৩১৬ টাকা ৭০ পয়সা• কেঅ্যান্ডকিউ – ৪২০ টাকা ৯০ পয়সা• প্রগতি ইন্স্যুরেন্স – ৬৪ টাকা ৩০ পয়সা• রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স – ৬৮ টাকা• সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট-সাপোর্ট – ৪২ টাকা ৫০ পয়সা
বাজারসংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, এসব শেয়ারের দামে মূল্য সংবেদনশীল কোনো তথ্য প্রকাশ ছাড়াই হঠাৎ উত্থান দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী কয়েকটি শেয়ারে কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করে অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়িয়ে তুলেছে।
তাদের মতে, কেবল গুজব বা বাজারের হাইপের ওপর নির্ভর করে এসব শেয়ারে নতুন বিনিয়োগ করলে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে হতে পারে। বিনিয়োগকারীদের উচিত প্রতিটি কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন, ডিভিডেন্ড ইতিহাস এবং প্রকৃত ব্যবসায়িক অবস্থা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেয়া। কারণ অতিমূল্যায়িত দরে শেয়ার কিনে অজানা ঝুঁকিতে পড়া মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *