(ডিএসই) থেকে অন্যায্যভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুনর্বহালের আবেদন
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই) থেকে অন্যায্যভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুনর্বহালের আবেদন করেছেন প্রতিষ্ঠানের সাবেক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল লতিফ।
১২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক আবেদনে তিনি অভিযোগ করেন, গত ২৫ জুন ডিএসই কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ, পূর্ব নোটিশ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই তাকে চাকরিচ্যুত করে। চাকরিচ্যুতির কারণ হিসেবে তাকে জানানো হয়, তার পদের আর প্রয়োজনীয়তা নেই
আবেদনে আব্দুল লতিফ বলেন, তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে ডিএসইতে দায়িত্ব পালন করেছেন। পুরো চাকরিকালেই তার কর্মদক্ষতা ও আচরণ ছিল প্রশ্নাতীত। কিন্তু প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতি অনুসরণ না করে একতরফাভাবে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ শ্রম আইন, প্রতিষ্ঠানের চাকরি বিধিমালা এবং করপোরেট সুশাসনের নীতিমালার পরিপন্থী। দীর্ঘদিনের একজন স্থায়ী কর্মকর্তাকে কোনো বিধিসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে চাকরিচ্যুত করা আইন ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে তিনি তার পারিবারিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, তার ৮২ বছর বয়সী বাবা ও ৭৩ বছর বয়সী মা বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন এবং নিয়মিত চিকিৎসার প্রয়োজন। এছাড়া তার একমাত্র সন্তান তৃতীয় শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় আকস্মিক চাকরিচ্যুতির কারণে পরিবারটি আর্থিক সংকট ও মানসিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে করা আবেদনে ডিএসইর সিদ্ধান্তের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে চাকরিচ্যুতির আদেশ বাতিলের নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ জানান আব্দুল লতিফ। একই সঙ্গে চাকরির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বকেয়া বেতন-ভাতা ও অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধাসহ তাকে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার পদে পুনর্বহালের আবেদন করেন তিনি।
তবে এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসির কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
