সোমবার, এপ্রিল ২০, ২০২৬
এক্সক্লুসিভ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩২টি কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে

পুঁজিবাজারে উৎপাদন বন্ধ ৩২ কোম্পানির তালিকা প্রকাশঅর্থসংবাদ করেসপন্ডেন্ট৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণপুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩২টি কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। বাজারে কোম্পানিগুলোর শেয়ার নিয়ে কারসাজি ও গুজব ঠেকাতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কোম্পানিগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় দুটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানিও রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইর প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, অন্যান্য কোম্পানি ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বন্ধ রয়েছে আর একটি প্রতিষ্ঠান ২০০২ সাল থেকে বন্ধ। একই দিনে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মে ২০২৪ সালের নির্দেশনা অনুযায়ী ছয় মাসের বেশি সময় উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণে বারাকা পাওয়ার ও জাহিন স্পিনিং মিলসকে জেড ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দিয়েছে ডিএসই।
ডিএসইর প্রকাশিত বন্ধ কোম্পানির তালিকায় রয়েছে- অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স, আরামিট সিমেন্ট, আজিজ পাইপস, বারাকা পাওয়ার, বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং, দুলামিয়া কটন, এমেরাল্ড অয়েল, ফ্যামিলিটেক্স (বিডি), জিবিবি পাওয়ার, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস, হামিদ ফেব্রিক্স, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, মেট্রো স্পিনিং মিলস, মিঠুন নিটিং, নিউ লাইন ক্লোথিংস, নর্দার্ন জুট, নূরানী ডাইং,প্যাসিফিক ডেনিমস, প্রাইম টেক্সটাইল, রহিমা ফুড, আরএসআরএম, রিজেন্ট টেক্সটাইল, সুহিৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, রাষ্ট্রায়ত্ত শ্যামপুর সুগার মিলস, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস, তুং হাই নিটিং, ইয়াকিন পলিমার, জাহিন স্পিনিং ও রাষ্ট্রায়ত্ত উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরিজ
সূত্র জানায়, বাজারে এ ধরনের উদ্যোগ এটাই প্রথম। লক্ষ্য হলো বিনিয়োগকারীদের প্রকৃত অবস্থা জানানো এবং অপারেশন বন্ধ থাকা কোম্পানিগুলো নিয়ে গুজব বা ভুল তথ্যের মাধ্যমে শেয়ারদরের কারসাজি থেকে তাদের রক্ষা করা। এসব বন্ধ কোম্পানিকে নিয়ে প্রায়শই মিথ্যা খবর ছড়িয়ে শেয়ারের দাম বাড়ানো বা কমানো হয়। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতির মুখে পড়েন। এই তালিকার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিগুলোর প্রকৃত অবস্থা জানতে পারবেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবেন।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ কোম্পানি ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বন্ধ হয়েছে। তবে একটি কোম্পানি ২০০২ সাল থেকে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় আছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির নির্দেশে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে উৎপাদন বন্ধ থাকায় বারাকা পাওয়ার এবং জাহিন স্পিনিং মিলস-কে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *