মঙ্গলবার, জুলাই ২১, ২০২৬
এক্সক্লুসিভ

ফেব্রুয়ারির শেষ দিনে ও দরপতনে ভারতের পুঁজিবাজার

ফেব্রুয়ারির শেষ দিনে ও দর পতনে ভারতের পুঁজিবাজার। প্রায় দু’শতাংশ পড়ল সেনসেক্স এবং নিফটির সূচক। ফলে বিপুল টাকা হারিয়ে মাথায় হাত পড়েছে বিনিয়োগকারীদের। তবে দ্রুত এ অবস্থার উন্নতি হওয়ার কোনও আশা দেখছেন না বিশ্লেষকেরা।
দেখা গেছে, শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ৭৩১৯৮ পয়েন্টে থেমেছে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ (বিএসই)। এদিন বিএসই’র সেনসেক্স কমেছে ১,৪১৪ পয়েন্ট। অর্থাৎ ১.৯০ শতাংশের পতন হয়েছে।
একই চিত্র দেখা গেছে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জেও (এনএসই)। এদিন এই বাজারের নিফটি সূচক শুরু হয় ২২,৪৩৩.৪০ পয়েন্টে। দিনশেষে ২২১২৫ পয়েন্টে থেমেছে নিফটি। অর্থাৎ এনএসইতে শেয়ার সূচকের পতন হয়েছে ৪২০.৩৫ পয়েন্ট। শতাংশের নিরিখে যেটা ১.৮৬।
ভারতের ব্রোকারেজ হাউজগুলো দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে সেনসেক্স এবং নিফটি সাড়ে পাঁচ শতাংশ করে হ্রাস পেয়েছে। এই নিয়ে টানা পাঁচ মাস নিম্নমুখী রইল বাজার, যা অত্যন্ত বিরল। ১৯৯৬ সালের পর আর কখনও এভাবে টানা পাঁচ মাস নিম্নমুখী থাকেনি নিফটি ও সেনসেক্স। এক কথায় ২৯ বছর পর টানা পাঁচ মাসের পতন প্রত্যক্ষ করল বাজার।
বাজার বিশেষজ্ঞেরা জানিয়েছেন, বিএসইতে ছোট পুঁজি এবং মাঝারি পুঁজির কোম্পানিগুলির শেয়ারের দাম কমেছে গড়ে দু’শতাংশ। তথ্যপ্রযুক্তি এবং আর্থিক কোম্পানিগুলির স্টকে সর্বাধিক বিনিয়োগ রয়েছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের। তাঁরা টাকা তুলে নেওয়ায় হু-হু করে নেমেছে এনএসইর সূচক। নিফটি ৫০-র বিনিয়োগকারীদের লোকসানের একে অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
শেয়ার বাজারের এমন পতনের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতিকেই দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই কারণেই ভারতীয় বাজার থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। এপ্রিলে পারম্পরিক শুল্ক নীতি চালু করতে পারেন ট্রাম্প। ফলে আগামী মাসেও বাজার পতনে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *