বহুদিন পর সম্মিলিত উত্থানে দুই খাতের শেয়ার
ঈদুল ফিতরের পর থেকে শেয়ারবাজারের গতি প্রকৃতি বীমা খাতের উত্থান পতনের ওপর নির্ভর হয়ে পড়েছিল। যখন এই খাত টানা বাড়ছিল, তখন অন্য খাতে আগ্রহ ছিল কম। পরে যখন সংশোধন শুরু হয়, তখন লোকসানি ও স্বল্প মূলধনী কোম্পানির শেয়ারে আধিপত্য দেখা দেয়। তবে বীমা খাড়া অন্য কোনো খাতে একসঙ্গে অনেকগুলো শেয়ারের দরে লাফ দেখা যায়নি।
এই চিত্র পাল্টে এতদিন ফ্লোরে থাকা অনেকগুলো কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হলো দর বেড়ে।
দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ কোম্পানির চারটি ছিল বস্ত্র খাতের। এই চারটি কোম্পানিই মাসের পর মাস ফ্লোর প্রাইসে ক্রেতা খুঁজে পায়নি।
তবে এ খাতের শক্তিশালী মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর শেয়ারগুলোর চাহিদা তৈরি হয়নি এখনও।
এ খাতের ৫৮টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১৮টির, কমেছে চারটির। বাকি ৩৬টি কোম্পানি ফ্লোর প্রাইসে লেনদেন হয়েছে।
প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে সার্কিট ব্রেকার ছুঁয়ে লেনদেন হয়েছে ইভিন্স টেক্সটাইলস ও ঢাকা ডায়িংয়ের। সাড়ে ছয় শতাংশের বেশি বেড়েছে সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইল ও জাহিন স্পিনিং মিলসের।
আরও একটি করে কোম্পানির দর যথাক্রমে ৫ ও ৪ শতাংশের বেশি, দুটি করে কোম্পানির দর যথাক্রমে তিন ও দুই শতাংশের বেশি বেড়েছে।
অন্যদিকে জীবন বীমার ১৫টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১৩টির, দুটির দর ছিল অপরিবর্তিত।
এর মধ্যে একটি কোম্পানির দর ৬ শতাংশের বেশি, একটির ৫ শতাংশের বেশি, পাঁচটির ৪ শতাংশের বেশি, দুটির দর বেড়েছে তিন শতাংশের বেশি।
সাধারণ বীমার ৪২টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ৩১টির দর, কমেছে দুটির, আটটির দর ছিল অপরিবর্তিত। বাকি একটির লেনদেন হয়নি।
দর বৃদ্ধির হার খুব বেশি না হলেও আগের কয়েক দিন বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দরপতনের পর দল বেঁধে এই উত্থান এই খাতের বিনিয়োগকারীদের স্বস্তি দেবে।
এদিন লেনদেনে শীর্ষে ছিল বীমা খাত। কাছাকাছি ছিল ওষুধ ও রসায়ন। খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, তথ্য প্রযুক্তি, প্রকৌশল এবং বস্ত্র খাত ছিল এর পরের অবস্থানে।
