মুনাফা তোলার চাপে শীর্ষ লেনদেনের ৯ শেয়ারের ছন্দপতন
বিদায়ী সপ্তাহে (০৩-০৭ সেপ্টেম্বর) প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে ছিল ফু-ওয়াং ফুড, ইস্টার্ন হাউজিং, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স, সি পার্ল রিসোর্ট, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, খান ব্রাদার্স, জেমিনি সি। ফুড, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ইউনিক হোটেল লিমিটেড।
সী পার্ল রিসোর্ট ও খান ব্রাদার্স ছাড়া ১০টি কোম্পানির মধ্যে সপ্তাহজুড়ে ৮টির দর ইতিবাচক প্রবণতায় ছিল। তবে শেষ কার্যদিবসে বৃহস্পতিবার কোম্পানিগুলোর মধ্যে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ ছাড়া মাত্র ৯টি কোম্পানির শেয়ারে মুনাফার প্রবণতা দেখা গেছে। এ কারণে কোম্পানিগুলোর শেয়ার বিক্রির চাপ বেশি দেখা গেছে। বিক্রির চাপে বৃহস্পতিবার শেষের দিকে কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বড় পতন দেখা গেছে। এদিন কোম্পানিগুলোর শেয়ারের ক্লোজিং রেটে লেনদেন শেষে বিক্রির চাপ তার চেয়ে অনেক নিচে দেখা গেছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত কয়েকদিন ধরে ৮টি কোম্পানির শেয়ারের দর ঊর্ধ্বমুখী। এ কারণে অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ারে মুনাফা নিচ্ছেন। যারা লাভে ছিলেন, তারা শেয়ার থেকে মুনাফা নিয়েছেন।
সাপ্তাহিক শীর্ষ লাভকারীদের মধ্যে খান ব্রাদার্স ৮.৪৬ শতাংশ, সী পার্ল রিসোর্টস ৬.৩৩ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স ৬.০৯ শতাংশ, ইস্টার্ন হাউজিং ৪.১৭ শতাংশ, ফু-ওয়াং ফুড ৩.৭৩ শতাংশ, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স ৩.৫৪ শতাংশ, জেমিনি সি ফুড ১.৭২ শতাংশ, ইউনিক হোটেল ১.৭২ শতাংশ। এবং রূপালী লাইফ ০.০৯ শতাংশ।
এর মধ্যে শুধু সি পার্ল রিসোর্টের বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির শেয়ারে লোকসানে ছিলেন। কারণ শেয়ারটি দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমুখী প্রবণতায় রয়েছে। যারা শেয়ার বিক্রি করেছেন তাদের প্রায় সবাই শেয়ারে লোকসান করেছেন। শেয়ারের দাম আরও কমতে পারে এমন আশঙ্কায় তারা শেয়ার বিক্রি করেছেন বলে জানিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে খান ব্রাদার্সের শেয়ারে বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী লোকসানে ছিলেন। তবে যারা দুই সপ্তাহ আগে ২৪-২৫ টাকায় শেয়ার কিনেছিলেন, তারা বেশ লাভবান ছিলেন। কিন্তু ৪-৫ সপ্তাহ আগে যারা ৩০ টাকার ওপরে শেয়ার কিনেছেন তারা লোকসানে পড়েছেন। যারা শেয়ারে লাভে ছিলেন, তারা শেয়ার থেকে মুনাফা তুলে নেন। এ কারণে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে বড় ধরনের পতন হয়েছে শেয়ারটির।
