লভ্যাংশে চমক, লোকসানেও দিচ্ছে দুই কোম্পানি
পুঁজিবাজার প্রেস প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ২০২৫-২৬ অর্থবছরের লভ্যাংশ ঘোষণায় বড় ব্যবধান দেখা গেছে।
কোনো কোম্পানি ১৩০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, আবার কোনো কোম্পানি সামান্য মুনাফা করেও নামমাত্র লভ্যাংশ দিচ্ছে।
এমনকি শেয়ারপ্রতি লোকসান থাকা সত্ত্বেও লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে জেএমআই সিরিঞ্জ ও তিতাস গ্যাস।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ১৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস। কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩১ টাকা ২৪ পয়সা। এ ছাড়া একমি ল্যাবরেটরিজ ও শাহজিবাজার পাওয়ার ৪০ শতাংশ, সোনালি পেপার ৪২ শতাংশ, এমএমসিএল প্রাণ ৩২ শতাংশ, ক্রাউন সিমেন্ট ২২.৫০ শতাংশ এবং হা-ওয়েল টেক্সটাইল ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
অন্যদিকে, মুন্নু ফেব্রিক্স শেয়ারপ্রতি ২ পয়সা আয় করে ০.১০ শতাংশ, অ্যাডভেন্ট ফার্মা ৪২ পয়সা আয় করে ০.১৫ শতাংশ এবং সিলকো ফার্মা ৩৩ পয়সা আয় করে ০.৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, জেএমআই সিরিঞ্জের শেয়ারপ্রতি লোকসান ২ টাকা হলেও কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে। তিতাস গ্যাসের শেয়ারপ্রতি লোকসান ৬ টাকা ২ পয়সা, তবু ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বিপরীতে লোকসানে থাকা মীর আখতার ও সেন্ট্রাল ফার্মা কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি।
এদিকে, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি আয় আগের অর্থবছরের ৭৫ পয়সা থেকে কমে ৩০ পয়সায় নেমেছে। একই সময়ে কোম্পানিটির নগদ লভ্যাংশ ৪ শতাংশ থেকে কমে ১.৫০ শতাংশ হয়েছে।
কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ ৩ শতাংশ এবং মোজাফ্ফর হোসাইন স্পিনিং মিলস ২.৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
কোম্পানিগুলোর ঘোষণায় লভ্যাংশের হার ও শেয়ারপ্রতি আয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা গেছে।
তবে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে লভ্যাংশের পাশাপাশি কোম্পানির আর্থিক অবস্থা, নগদ অর্থের প্রবাহ ও ভবিষ্যৎ ব্যবসার সক্ষমতা যাচাই করা জরুরি।
