বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৬
এক্সক্লুসিভ

সিটি গ্রুপের হাত ধরে উৎপাদনে ফিরছে রহিমা ফুড

তথ্যানুসারে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে নারকেল তেল উৎপাদন শুরু করে রহিমা ফুড। তিন বছর চেষ্টা সত্ত্বেও পণ্যটি কাঙ্ক্ষিত বাজার ধরতে পারেনি। ফলে দীর্ঘমেয়াদি টেকসইতা নিশ্চিত করতে উৎপাদন সাময়িক স্থগিত রাখা হয়েছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, বিকল্প কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন করে উৎপাদন শুরুর পরিকল্পনা চলছে।
অন্যদিকে, ২০২২ সালের মে মাসে কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাত শুরু করে গত তিন বছরে ভালো মুনাফা করেছে রহিমা ফুড। তবে চলতি বছর কাঁচামাল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় উৎপাদন সাময়িক বন্ধ রাখা হয়। কোম্পানিটি বিকল্প উৎস থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে শিগগিরই কার্যক্রম শুরুর আশা প্রকাশ করেছে।
এছাড়া ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সয়াবিন ও সরিষার তেল বোতলজাত ও বিপণনের ঘোষণা দেয় কোম্পানিটি। এ প্রকল্পের কাজ ভালোভাবে অগ্রসর হচ্ছে বলে জানিয়েছে রহিমা ফুড। কোম্পানিটি আশা করছে, শিগগিরই এ খাতে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) রহিমা ফুডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮৩ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৪ পয়সা। ৩০ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ১৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে রহিমা ফুডের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে রহিমা ফুডের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বাদে শুধু সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে রহিমা ফুড। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৫৩ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে রহিমা ফুড। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ পয়সা।
রহিমা ফুডের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ২০০। এর ৩৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ২৯, বিদেশী বিনিয়োগকারী ৩ দশমিক ৭৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫২ দশমিক ৫৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *