রবিবার, এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বীমা

পদ্মা লাইফ ১১ বছরের মধ্যে ৮ বছরই বিনিয়োগকারীদের ঠকিয়েছে

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের জীবন বীমা তহবিলের ঘাটতি ৩০ জুন, ২০২৩ শেষে দাঁড়িয়েছে ২৪৬ কোটি ২০ লাখ ৩০ হাজার টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ের শেষে এ তহবিলে উদ্বৃত্ত ছিল ১২ কোটি ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

বীমা খাতের কোম্পানিটির চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বীমা দাবি পরিশোধসহ অন্যান্য ব্যয় বাদে কোম্পানিটির নিট প্রিমিয়াম আয়ের ঘাটতি রয়েছে ৩ কোটি ৫৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৭৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

আর চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) বীমা দাবি পরিশোধসহ অন্যান্য ব্যয় বাদে কোম্পানিটির নিট প্রিমিয়াম আয়ের ঘাটতি রয়েছে ৯ কোটি ৪৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে শেষ হওয়া শেষ আর্থিক বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ সুপারিশ করেনি।

আলোচনাধীন আর্থিক বছরের আলোচ্যসূচির জন্য শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটি ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে। এ বিষয়ে রেকর্ড ডেট ছিল ২০ আগস্ট।

২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া ২০২১ অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর আগে কোম্পানিটি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। ২০১২ সালে ৮ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। অর্থাৎ শেয়ারবাজারে আসার ১১ বছরের মধ্যে কোম্পানিটি ৩ বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দিয়েছে। বাকি ৮ বছর লভ্যাংশ দেয়নি।

অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৮ কোটি 88 লাখ। মোট ৩ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার শেয়ারের মধ্যে ৩১.৫৬ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে, ১৬.৯৩ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে এবং বাকি ৫১.৫১ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *