বিএসইসিতে বিশেষ সহকারী তানভীর গনির জন্য দাপ্তরিক কক্ষ বরাদ্দ
প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের (মূল লেখায় ‘প্রধানমন্ত্রী’ উল্লেখ থাকলেও বর্তমান পদবির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে) বিনিয়োগ ও শেয়ারবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনির জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) একটি দাপ্তরিক কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের দশম তলায় বরাদ্দ করা কক্ষটিতে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও অফিস সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন দেখা দিলে তিনি এই কক্ষ থেকেই দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করবেন।
জানা গেছে, রোববার (২৯ জুন) দুপুর ১টার দিকে তানভীর গনি বিএসইসি কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি প্রথমে কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও কমিশনার তানভীর হাবিব রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিয়ে দেশের শেয়ারবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি, চলমান সংস্কার কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
বৈঠকে বিএসইসির পক্ষ থেকে শেয়ারবাজারের বর্তমান অবস্থা, নিয়ন্ত্রক কার্যক্রম এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে তাকে অবহিত করা হয়। আলোচনা শেষে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি কমিশনে তার জন্য বরাদ্দ করা দাপ্তরিক কক্ষ পরিদর্শন করেন এবং কিছু সময় সেখানে অবস্থান করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শেয়ারবাজার-সংক্রান্ত নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে সহযোগিতা, চলমান সংস্কার উদ্যোগের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার লক্ষ্যে তানভীর গনি প্রয়োজন অনুযায়ী এ দাপ্তরিক কক্ষ থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
পেশাগত জীবনে তানভীর গনি হংকংভিত্তিক বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান টাইবোর্ন ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট-এর প্রেসিডেন্ট ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা। হেজ ফান্ড ও প্রাইভেট ইকুইটি খাতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজার, বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা এবং কৌশলগত পরামর্শ প্রদানে সুপরিচিত।
উল্লেখ্য, গত ২ এপ্রিল তিনি বিনিয়োগ ও শেয়ারবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের শেয়ারবাজার সংস্কার এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে বিএসইসির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে শেয়ারবাজারের দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার রোডম্যাপ মূল্যায়ন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের শেয়ারবাজারকে বৈশ্বিক বিনিয়োগ মানচিত্রে আরও দৃশ্যমান করে তোলার প্রচেষ্টা।
