রবিবার, জুলাই ১৯, ২০২৬
এক্সক্লুসিভ

ডিসেম্বরের শুরুতেই হঠাৎ করে আবার ও পেয়াজের’ দাম’ লাফিয়ে বাড়ে,কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা

মাস দেড়েক আগেও বাজারে দেশি পুরোনো পেঁয়াজের দাম ছিল কেজিতে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। ধাপে ধাপে সেই দাম বেড়ে একসময় ১২০ টাকায় স্থির হয় এবং প্রায় এক মাসের বেশি সময় এ দামে বিক্রি হয় পেঁয়াজ। তবে ডিসেম্বরের শুরুতেই হঠাৎ করে আবার দাম লাফিয়ে বাড়ে, কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত, যার ফলে সর্বোচ্চ দাম গিয়ে দাঁড়ায় ১৬০ টাকায়।
দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার বাধ্য হয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়। এতে সরকার ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল, ভারতীয় পেঁয়াজ বাজারে এলে সিন্ডিকেট ভেঙে দেশি পেঁয়াজের দামও কমবে।
কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, প্রতিদিনই কিছু পরিমাণ আমদানিকৃত পেঁয়াজ দেশে ঢুকলেও গত তিন থেকে চার দিনে বাজারে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে এখনো প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সময়ে দেশে আগের মৌসুমের উৎপাদিত প্রায় এক লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে। পাশাপাশি নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসাও শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় বেশি পরিমাণ আমদানির অনুমতি দিলে স্থানীয় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন—এই বিবেচনায় সরকার সীমিত পরিসরেই আমদানির অনুমোদন দিচ্ছে।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পুরোনো পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে তুলনামূলক ছোট আকারের বা শিকড় গজানো পেঁয়াজ কোথাও কোথাও ১৩৫ টাকা দরে পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়, যদিও বাজারে তা খুবই সীমিত পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতারা বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় পেঁয়াজ বেশি দামে কিনে আনতে হচ্ছে। ফলে বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। বড় আড়তদাররা দাম নির্ধারণ করেন—আমরা সেই দামে কিনে এনে বিক্রি করি।
পাইকারি ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, সরকার পুরোপুরি আমদানি উন্মুক্ত না করে সীমিত সংখ্যক ব্যবসায়ীকে আইপি দিয়েছে। এতে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ না আসায় দাম কমছে না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *