দ্বিতীয় প্রান্তিকের ১৭ ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ৩১টি ব্যাংক (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী আলোচ্য সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ১৭ ব্যাংকের। একই সময়ে ইপিএস কমেছে ৫ ব্যাংকের। এছাড়া, দ্বিতীয় প্রান্তিকে ধারাবাহিক লোকসানে ৫টি, মুনাফা থেকে লোকসানে ৩টি এবং লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরেছে একটি ব্যাংক। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
ইপিএস বৃদ্ধি পাওয়া ব্যাংকগুলো হলো- ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, এসবিএসি ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক এবং উত্তরা ব্যাংক।
ব্র্র্যাক ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৩৪ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৩ টাকা ৯ পয়সা।
সিটি ব্যাংক অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ১৯ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৭২ পয়সা।
ঢাকা ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ২৯ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৯ পয়সা।
ডাচ-বাংলা ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১৭ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৩৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৪ পয়সা।
ইস্টার্ন ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ২০ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৬৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ২ টাকা ১৪ পয়সা।
যমুনা ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৪০ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৩ টাকা ৩১ পয়সা।
মিডল্যান্ড ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ২ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১৭ পয়সা।
এনসিসি ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৯৬ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৮৬ পয়সা।
এনআরবিসি ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ০৩ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৮ পয়সা।
ওয়ান ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ২৪ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৮৫ পয়সা।
প্রাইম ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৮৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৬২ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৫৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৩ টাকা ২৯ পয়সা।
পূবালী ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৯৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ২ টাকা ৫১ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৩৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৩ টাকা ৭০ পয়সা।
এসবিএসি ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১৪ পয়সা।
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৪৩ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৭৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ২ টাকা ৪৭ পয়সা।
সাউথইস্ট ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৫৯ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা।
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৮ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১২ পয়সা।
উত্তরা ব্যাংক
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৪৬ পয়সা।
অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২৬-জুন’২৬) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ২৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৪৬ পয়সা।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, মুনাফায় বাড়ায় এসব ব্যাংকের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আগ্রহ বাড়বে, যার প্রভাব পরবে সার্বিক বাজার চিত্রে। ব্যাংকগুলো যখন ঘুরে দাঁড়ায় তখনই সূচক ও লেনদেনে ইতিবাচক প্রভাব পরে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। এ ধারা আগামীতে অব্যাহত হলে বছর শেষে বিনিয়োগকারীরাও ভাল ডিভিডেন্ড পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
