ব্রোকারেজ হাউজের স্বচ্ছ জবাবদিহিতায় কঠোর হচ্ছে ডিএসই
ব্রোকারেজ ফার্মগুলোকে তাদের বার্ষিক আর্থিক বিবরণী নিরীক্ষার জন্য এই প্যানেল থেকে বিধিবদ্ধ নিরীক্ষক নিয়োগ করতে হবে। তবে কোনো নিরীক্ষক একটানা তিন বছরের বেশি সময়ের জন্য নিয়োগ পেতে পারবেন না।
নতুন নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক বা বিএসইসি-এর প্যানেল থেকে বাদ পড়া কোনো নিরীক্ষক, যারা ফিনান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, অথবা যারা অনৈতিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত থাকে, তাদের ডিএসইর প্যানেলে তালিকাভুক্ত করা হবে না। এছাড়াও, যদি কোনো স্টক ব্রোকার-ডিলারের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী আইনি বিধান এবং সিকিউরিটিজ আইন অনুসরণ না করে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয় এবং প্রকৃত ও ন্যায্য আর্থিক অবস্থান প্রতিফলিত না করে, তবে সেই নিরীক্ষককেও প্যানেল থেকে বাদ দেওয়া হবে।হয়েছিল। তিনি আরও যোগ করেন, “সেই ক্ষতিগুলো পূরণের জন্য বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিল থেকে বিতরণ করা পরিমাণ ছিল খুবই নগণ্য।”
এই প্রেক্ষাপটে, ডিএসই এখন বিনিয়োগকারী সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্রোকারেজ হাউসগুলোর আর্থিক প্রতিবেদনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার উপর অধিক জোর দিচ্ছে। এর লক্ষ্য হলো, ভবিষ্যতে আর কোনো বিনিয়োগকারীকে এমন ক্ষতির শিকার হতে না হয়।
