সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে ধস
এতদিনে সঞ্চয়পত্র কেনায় নানা শর্তারোপ করা হলে সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার মুনাফা বাড়িয়েছে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে, যা চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। এতে আশার আলো খুঁজে পেয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। খাত-সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, মুনাফার হার বাড়ানোর ফলে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে গতি আসবে।
সরকারি ট্রেজারি বিল-বন্ড ও আমানতের সুদ বাড়ার কারণে গত জানুয়ারি থেকে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদহার বাড়ানো হয়েছে। পরিবার সঞ্চয়পত্রে মেয়াদপূর্তিতে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ থাকলেও এখন এই সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফা মিলবে সাড়ে ১২ শতাংশ। আর সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফা আসবে ১২ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
পেনশনার সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদপূর্তিতে মুনাফা মিলবে ১২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফা মিলবে ১২ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এই সঞ্চয়পত্র কিনলে এতদিনে মেয়াদপূর্তিতে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে মেয়াদপূর্তির আগে মুনাফা ছিল ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। জানুয়ারি থেকে এই সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদপূর্তিতে মুনাফা মিলবে ১২ দশমিক ৪০ শতাংশ। সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফা মিলবে ১২ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
আর ৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে মেয়াদপূর্তির বছরে মুনাফা ছিল ১১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। জানুয়ারি থেকে এই সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফা মিলবে ১২ দশমিক ৩০ শতাংশ। সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফা হবে ১২ দশমিক ২৫ শতাংশ। অন্যদিকে ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকে মেয়াদি হিসাবে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফা আসবে ১২ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফা
