এল’আর’বিডি কার্যকরী মূলধন সংকটে আইপিও ফান্ড ব্যবহারের প্রস্তাব
কোভিড-১৯, ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানিটির কার্যকরী মূলধন উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে। এই পরিস্থিতিতে শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে আইপিও তহবিলের একটি অংশ ব্যবহার করার অনুমোদন চেয়েছে কোম্পানিটি।
কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, আইপিও থেকে প্রাপ্ত প্রায় ২০ কোটি টাকা দীর্ঘদিন ধরে স্যোশাল ইসলামী ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখায় স্বল্প সুদে স্থগিত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকটি প্রতিশ্রুত সিন্ডিকেটেড ঋণ (বিএমআরই প্রকল্পের জন্য) দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এই তহবিল কার্যত অব্যবহৃত ছিল। এ অবস্থায় কোম্পানি আইপিও তহবিল ব্যবহারের জন্য বিএসইসির অনুমোদন চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গত ৯ জুন ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত কোম্পানির ১৮৭তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় (হাইব্রিড প্ল্যাটফর্মে) নিম্নোক্ত প্রস্তাবগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা স্পন্সর ও পরিচালক ব্যতীত সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) উপস্থাপন করা হবে।
প্রস্তাবিত সিদ্ধান্তসমূহ
১. বিদ্যমান আইপিও তহবিল থেকে USD 364,811 (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা) সমপরিমাণ বকেয়া এলসি দায় (Bill No. SITPUBG148651G) পরিশোধ করা হবে।
২. বাংলাদেশ ব্যাংকের BRPD সার্কুলার নং-০৭ অনুযায়ী দীর্ঘ ও স্বল্পমেয়াদি ঋণ পুনঃতফসিলের জন্য প্রয়োজনীয় ৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ডাউন পেমেন্ট সমন্বয় করা হবে।
৩. অবশিষ্ট আইপিও তহবিল কোম্পানির চলতি ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কার্যকরী মূলধন হিসেবে ব্যবহার।
ইজিএমের বিস্তারিত :
তারিখ: ৯ জুলাই ২০২৬
সময়: সকাল ১১টা ৩০ মিনিট
পদ্ধতি: হাইব্রিড (অনলাইন ও সরাসরি উপস্থিতি)
ভেন্যু: কোম্পানির কারখানা প্রাঙ্গণ, বিসিক শিল্পনগরী, চট্টগ্রামঅনলাইন প্ল্যাটফর্ম: নির্ধারিত ডিজিটাল লিংকের মাধ্যমে
রেকর্ড ডেট: ৩০ জুন ২০২৬
কোম্পানি কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আইপিও তহবিল ব্যবহারের মাধ্যমে বকেয়া দায় পরিশোধ, ঋণ পুনঃতফসিল এবং কার্যকরী মূলধন জোরদার হলে ব্যবসার ধারাবাহিকতা পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে, যা শেষ পর্যন্ত শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
