বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬
এক্সক্লুসিভ

বিনিয়োগকারীদের সাময়িক কিছু কষ্ট হলেও আমাদের যেসব কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেছে তাদের তালিকাচ্যুত করতেই হবে

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং স্টক এক্সচেঞ্জের নেতৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সংস্কার নিয়ে সবার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। পুঁজিবাজারের মূল শক্তি হচ্ছে এর ক্রেতা-বিক্রেতা তথা বিনিয়োগকারীরা। আমরা দেখেছি যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভীষণ একটা আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল। তারা এই বাজার থেকে সম্পূর্ণরূপে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। তো সেই জায়গায় আমি বলব যে একটা বড় পরিবর্তন এসেছে। আস্থা ফিরিয়ে আনতে কিছুটা সময় লেগেছে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য অনুকূল কিছু নীতি সহায়তা আমরা পেয়েছি এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ দিতে হয়। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মাধ্যমেও আমরা বিনিয়োগকারী ও বাজার মধ্যস্থতাকারীদের জন্য কিছু সুবিধা আদায় করতে পেরেছি। পাশাপাশি আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতি যে বড় ধরনের একটা চ্যালেঞ্জের মধ্যে ছিল সেখান থেকে কিছুটা স্বস্তির জায়গায় এসেছে। তবে আমি বলব না যে সব চ্যালেঞ্জ দূর হয়ে গেছে। কিন্তু এটা ঠিক যে আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতির চাপ কিছুটা হলেও প্রশমিত হয়েছে। ট্রেজারি বিল-বন্ডের সুদের হার কিছুটা কমে এসেছে। পুঁজিবাজারের সঙ্গে মুদ্রাবাজারের সুদহারের একটি সম্পর্ক রয়েছে। এখন সুদের হার কমার কারণে আমরা দেখছি বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারের দিকে আসছেন।

তাছাড়া কাঠামোগত যে পরিবর্তনগুলো প্রয়োজন সেখানেও কাজ শুরু হয়েছে। আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা সেটা নিয়ন্ত্রক সংস্থা, স্টক এক্সচেঞ্জ ও বাজার মধ্যস্থতাকারী—সব ক্ষেত্রেই ভীষণভাবে ঘাটতি ছিল। একটা সময় পর্যন্ত অনিয়মগুলোই নিয়মে পরিণত হয়েছিল এবং পুঁজিবাজার কখনই সরকারের কাছে খুব বেশি গুরুত্ব পায়নি। বিধিবিধানগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বিনিয়োগকারী ও ইস্যুয়ার কোম্পানিগুলোর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছিল না। আমরা এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছি। এতদিকে আমাদের কাজ করতে হচ্ছে যে হয়তো আমাদের কাজের গতি প্রত্যাশা অনুসারে হয়নি। কিন্তু একই সঙ্গে এটা ঠিক, চ্যালেঞ্জ এত বেশি ছিল যে এগুলো ঠিক করে এনে সামনের দিকে এগোনোর জন্য সময়ের প্রয়োজন।বলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর চেয়ারম্যান “

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *