মঙ্গলবার, এপ্রিল ২১, ২০২৬
এক্সক্লুসিভ

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ইসি কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আকরাম হোসেন হুমায়ুন

                                                                                                                                                      

বীর মুক্তিযোদ্বা, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও শিল্পপতি এবং সমাজসেবক আকরাম হোসেন হুমায়ুন আবারো মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ইসি কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁকে ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন পেশার লোকজন ও সুশীল সমাজ। তিনি ১৯৫২ সালে ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

তার পিতা আলহাজ্ব শামসুল হক মিয়া এবং মা আকলিমা খাতুন। তার বাবা ফেনী জেলার একজন পরিচিত মুখ ও সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন। এলাকার জনহিতৈষী কর্মকান্ডে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।ক্রীড়া উত্সাহী আকরাম হোসেন ফেনী ও ঢাকার বিভিন্ন ক্রীড়া ক্লাবের সদস্য ছিলেন এবং বিভিন্ন ফুটবল এবং ব্যাডমিন্টন এবং ক্রিকেট টুর্নামেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা করতেন।

১৯৭১ সালের পর পেপার ব্যবসায় চাচার দোকানে চাকরিতে নিযুক্ত হন তিনি। তিনি ১৯৮৪ সালে তিন বছর পর চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন। এখন তিনি আকরাম টেডার্স এবং কাগজের ব্যবসা শুরু করেন এবং প্রথম ঠিকাদার হিসেবে যোগ দেন। আকরাম ট্রেডার্স নামে একটি কোম্পানি চালু করে স্টেশনারি সরবরাহ করেন।

এরপর তিনি সরাসরি ও বেসরকারি ঠিকাদারের কাজ পান। এরপর থেকে আর পিছন ফিরতে হয়নি। মাত্র 2 বছর পর, তিনি নিজেকে প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।

আর্থিক অবস্থার পরিবর্তনের সাথে সাথে তিনি তার পিতার ১৩ সদস্যের পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসেন এবং ১৩ সদস্যের একান্নবর্তী পরিবারটি একসময় বিশাল পরিবার ছিল।

তিনি মেকেন্টাইল ব্যাংক থেকে একটি বড় নগদ অনুদান দিয়েছেন। প্রতিবছর ও সংবর্ধনা দেন। কৃষকদের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ। যাতে দেশে খাদ্য নিশ্চিত করা যায়।

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আকরাম হোসেন হুমায়ুন ২০০১ সালের বিরোধী আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জেলে যান। নেতাকর্মীদের মামলা, আহতদের চিকিৎসার খরচ এবং ঐতিহাসিক চন্দ্রপুর ট্রিপল মার্ডার মামলার খরচ তিনি ব্যক্তিগতভাবে বহন করেন। বর্তমানে তিনি ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।

এভাবে তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা যুদ্ধে নিজেকে সম্পৃক্ত করে একজন নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমের ভূমিকা পালন করেন। সে হিসেবে তিনি ছিলেন একজন মহান মুক্তিযোদ্ধা। আকরাম হোসেন হুমায়ুন ছিলেন এদেশের জীবন্ত কিংবদন্তি, একজন অসাধারণ বাঙালি শিল্পী, যার তুলনা একমাত্র তিনি নিজেই। তাঁর মহানুভবতা, অর্জন ও আদর্শের পাশাপাশি দেশপ্রেম বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পথ ও অমর হয়ে থাকবে।

শিল্পপতি আকরাম হোসেন হুমায়ুনের প্রতিষ্ঠিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছে মোট দুই ডজন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন। নিরন্তর ব্যস্ততার মধ্যেই দিন কাটছে যার। সবার দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে তিনি বেঁচে থাকতে চান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *