কয়েকটি কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে
শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ জুলাই মাসে কিছুটা বেড়েছে। ওই মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কয়েকটি কোম্পানিতে বিদেশি বিনিয়োগ এর হার বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিএসই ও আমারস্টক সূত্রে জানা গেছে, যেসব কোম্পানিতে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে সেগুলো হলো—অ্যাডভেন্ট ফার্মা, ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডমিনেজ স্টিল, ইস্টার্ন ব্যাংক, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, ম্যারিকো বাংলাদেশ, প্রাইম ব্যাংক, রিংশাইন টেক্সটাইল, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ও উত্তরা ব্যাংক।
অ্যাডভেন্ট ফার্মার শেয়ারে জুনে কোনো বিদেশি বিনিয়োগ ছিল না। জুলাইয়ে বিদেশিরা কোম্পানির ০ দশমিক ৯৬ শতাংশ শেয়ার নিয়েছে। বর্তমানে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে আছে ৩০ দশমিক ০২ শতাংশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ১২ দশমিক ৪২ শতাংশ শেয়ার। সর্বশেষ কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।
ব্র্যাক ব্যাংকে বিদেশি অংশীদারিত্ব জুনের ৩৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৫০ শতাংশে। উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৪৬ দশমিক ১৭ শতাংশ শেয়ার। সম্প্রতি ব্যাংকটি ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে।
সিটি ব্যাংকে বিদেশিদের শেয়ার বেড়েছে ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ থেকে ৬ দশমিক ৬৪ শতাংশে। সর্বশেষ ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে।
ডমিনেজ স্টিলে জুনে বিদেশি অংশীদারিত্ব না থাকলেও জুলাইয়ে বিদেশিরা কোম্পানির ০ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার নিয়েছে। কোম্পানিটি ২০২৪ অর্থবছরে মাত্র ০ দশমিক ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।
ইস্টার্ন ব্যাংকে বিদেশি বিনিয়োগ জুনের ০ দশমিক ৪৫ শতাংশ থেকে জুলাইয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ৫৫ শতাংশে। ব্যাংকটি সর্বশেষ ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে।
আইডিএলসি ফাইন্যান্সে বিদেশি শেয়ারহোল্ডিং জুনের ০ দশমিক ৩৭ শতাংশ থেকে জুলাইয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫১ শতাংশে। কোম্পানিটি সম্প্রতি ১৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছে।
ম্যারিকো বাংলাদেশের বিদেশি শেয়ারহোল্ডিং জুনের ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ শতাংশে। কোম্পানিটি সর্বশেষ ৩ হাজার ৮৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।
প্রাইম ব্যাংকে বিদেশি অংশীদারিত্ব বেড়েছে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ থেকে ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশে। ব্যাংকটি সম্প্রতি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ২ দশমিক ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছে।
রিংশাইন টেক্সটাইলে জুন পর্যন্ত কোনো বিদেশি বিনিয়োগ ছিল না। জুলাইয়ে বিদেশিরা কোম্পানিটির ০ দশমিক ৬৪ শতাংশ শেয়ার নিয়েছে। তবে ২০১৯ সালের পর থেকে কোম্পানিটি আর কোনো লভ্যাংশ দেয়নি।
স্কয়ার ফার্মায় বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ১৫ দশমিক ১৪ শতাংশ থেকে ১৫ দশমিক ২৪ শতাংশে। কোম্পানিটি সর্বশেষ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।
উত্তরা ব্যাংকে বিদেশি শেয়ারহোল্ডিং জুনের ০ দশমিক ৯০ শতাংশ থেকে জুলাইয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ০৯ শতাংশে। ব্যাংকটি ২০২৪ সালের জন্য ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে।
